30-08-23


পেঁয়াজে দাগ কেটে ছুঁচো ঠেকানো
টোটকা খাতা অচিন প্রাচীন
তুমি দাগ কেটে যে মৃগয়া চোখে
রেখেছিলে চোখ সেইদিন
তোমার সে চোখের গন্ডি এড়িয়ে
এসেছিলো ঘাঁই হরিণীর খোঁজে-
এসেছিলো, কে সে!
সে কি দশানন!


কাহার শরীরে ছিলো ঘুনো পোকাদের বাস
আরশোলা দল ডাস্টবিন থেকে উঠে এসে
খুঁজে পেয়েছিলো নরম মাংসের স্বাদ
কোন বিধাতা লিখেছিলো শিকার কাব্য লেখা!


শিকার শিকার খেলা মগজের
বুনটে বুনটে অন্ধকার খাঁজ।


কাচের দেয়ালে ভেঙে পড়া আলোর মদিরা মেখে
প্রিজমের বাঁকা হাসি ভালোবেসে
যেদিন কামনা ঝরে পড়েছিলো এই বুকে
সেদিন ধুতরা ফুলে ভ্রমর মনের ভ্রম ক্লেদ
প্রথম পেয়েছিলো বিস্ময়ে
কোনো পাগল পানির স্বাদ।


শ্বেত ফুলগুলো পেড়ে শরৎ আকাশ থেকে
ফুল শয্যা পেতেছিলো কাশবন,
ছাতিম ডালে পেঁচা পেতেছিলো খেলাঘর।


পৃথিবীর লাল গালে যে তিলক ফুটে উঠেছিলো
একদিন তারপর কতদিন পর
একদিন পরেছিলো ধুসর বসন।


হৃদয়ের খোল থেকে উড়েছিলো অজস্র কপোত
সেইদিন মেঘদল থেকে
মেঘ কন্যারা এসে বুকের দুধে গন্ধম গন্ধম সুখে
গহীন নহর পেতে এঁকেছিলো অতি ধীর
গন্ধম মদিরা ভরা
পুষ্ট সবুজ এই প্রান্তর।


এম্নি করে ক্রমে ভরে গিয়েছিলো পৃথিবীর বুক।
ভরাক্ষেত ভালোবেসে
এসেছিলো ফুল পাখি কীট।


মেঘেদের কাফেলায় আজও ভাসে কতিপয় মূখ,
কতিপয় সরোবর ছবি, রাজহংস-রাজহংসী
দিগঙ্গনা সুখ
পেখম খোলা কতিপয় ময়ূর।


কাহার পায়ের নীচে বালুময় ভূমি আঁক
আঁক ভয় ক্রোধ ঘৃণা
আকাশে আকাশে
পরিত্রাণ সুবাস আঁক, উষ্ণতার বাতাসে!