ছোট্ট পাখি মিষ্টি করে করুণ সুরে ডাকে,
এদিক ওদিক চারিদিকে খুঁজছে যে তার মাকে।
মা যে তার হারিয়ে গাছে একটি ঝড়ের রাতে,
তাই আজ কেউ নই ওই ছোট্ট পাখির সাথে।
চারিদিকে সে ডাকিতে ডাকিতে আকাশ পানে উড়ে,
কিছুই সে চিনিতে পারেনা যা কিছু চোখেতে পরে।
মা মা করে খুঁজিতে খুঁজিতে সন্ধ্যা গড়ালো যখন,
ছোট্ট পাখির মনের মধ্যে ভয় লাগিল তখন।
একটি গাছের ছোট গর্তে নিল সে আশ্ৰয়,
মনে মনে ভাবে সকাল টা যেনো তারাতারি হয়।
ভাবিতে ভাবিতে চোখ দুটি তার ঘুমাতে ধুলিয়া পড়িল,
ঘুমের মাঝে স্বপ্নে সে তার মায়ের মুখ টা দেখিল।
একদিন সে তার মা এর সাথে শিখিতে ছিল উড়া,
কথা থেকে এক চিল আসিয়া করিতে লাগিলো তাড়া,
এই বুঝি মোর প্রাণ টা গেলো, ছোট্ট পাখি মনে ভাবে,
মা যে তার সন্তান এর প্রাণ বাঁচাই তে ছিল আগে।
মায়ের সেই ভালোবাসা দেখে ছোট্ট পাখি ভাবে,
এ জগতে মায়ের মতো আপন কেউ নাহি হবে।
এমন সময় একটি শব্দে ভাঙলো পাখির ঘুম,
কাঠুরিয়া কাঠ কাটছে,গাইছে গুন গুন গুন।
বাইরে দেখিল ফুটিছে এলো,সকাল হয়েছে সবে,
আজ সে তার মা কে খুঁজিবে,যা হয়ে যাই হবে।
এই ভেবে পাখি আকাশ পানে শুরু করে দিলো ওরা,
উড়িতে উড়িতে একটি দৃশ্য তার চোখে তে পড়িল ধরা।
দেখিল পাখি মা যে তার উড়িতে নাহি পাড়ে,
সর্ব অঙ্গে আঘাত লয়ে কাঁদিয়া কাঁদিয়া মরে।
কাছে গিয়ে পাখি সুধালো মারে একি হয়েছে তোর,
মা শুনে কই আয় বাছা, আয় বুকে আয় মোর।
মাকে পেয়ে ছোট্ট পাখির খুশিতে মন ভরে,
মাকে সে সুস্থ করে, নিয়ে গেলো আপন ঘরে।