সহজ স্বাভাবিক যে ধারা
সে ধারার বাইরের কোনও কক্ষপথের গতিপথে
আবদ্ধ থেকে গিয়েছিল
থমকে যাওয়া এই বিরল প্রেমের পংক্তিগুলো


তবে কিভাবে আশা কর ?
এই রচনার শব্দগুলো খুব সরল হবে?
তবে কিভাবে ভেবে নাও?
এই শব্দগুলোর গভীরতা তুমি সহজেই দেখতে পাবে?


যেখানে ষোলটি বছরের দিন- রাত্রি
আমি অম্লান হতে দেখেছি
যেখানে ভুল-ভ্রান্তির চাইতেও বেশী ছিল
পরম করুণাময়ের সুসজ্জিত পরীক্ষার বিশাল এক খোলা মাঠ
যেখানে আমি এবং আমি ব্যতীত দ্বিতীয় কোনও
প্রাণের বিন্দুমাত্র কোনও অস্তিত্ব ছিলনা
যেখানে তোমার আমার গন্তব্য খুব সহজেই
নিমিষেই চোখে ধরা পড়ছিল্না


সেখানে কিভাবে ভেবে নাও তুমি
যে আমি অতিব সহজ সরল এক মানবী হয়ে
হেঁটে যাব সম্মুখে?


যদি সহজ সরল এক মানবীই হতাম
ভঙ্গুর হয়ে ভেঙ্গে পড়তাম খুব সহজেই
যদি স্বাভাবিক ধারায় ভাসিয়ে দিতাম নিজের স্বত্ত্বা
তবে, খুব সহজেই ত্যাগ করতাম এই নিরলস ভালবাসা
যদি স্বপ্নগুলোকে দুর্গম কোনও জঙ্গলে চাষ ই না করতাম
তবে, আবেগের এতটা পথ মাড়ি কখনই দিতে পারতাম না
যদি শূণ্যসহানকে শূণ্যে রেখে ভেসে যেতে চাইতাম
তবে, ভালবাসাকে বুকের গহীনে , আত্মার গভীরে কখনই লালন করতাম না


তুমি কি বোঝনা?
হ্যাঁ! আমি সাধারণ ব্যক্তিত্ব নই
তবে, তবুও অতি সাধারণ একজন নারী
হা! হা!
সেই বোধগম্যতায় যদি নিজেকে প্রশ্ন কর
তবে, অন্য কোনও বিপথে যাওয়া নারীর সাথে তুলনা কখনও কোরনা


আমি অতীত নই
আমি কালের ধারায় প্রবাহিত এক রক্তাক্ত আবেগ
আমি পুনরাবৃত্তি নই
বরং, অতীতকে ধ্বংস ও ধুলিস্যাত করে দেয় এমন তীব্র বিস্ফোরক
আমি ভবিষ্যত নই
বরং, স্বর্গের স্বর্গীয় বইয়ে লিখে রাখা এক সুতীব্র অমর ভালবাসা-গ্রনহ
আমি বর্তমান নই
বরং, আত্মার রন্ধ্রে রন্ধ্রে - রক্তের কালিতে লিখে রাখা কোনও এক প্রতীজ্ঞা  


তুমি কি বোঝনা?


১৪ই মে ২০১৬ , ভোর ৭ঃ৩৫