মহা ভারতের মহাবীর
- উজ্জ্বল সরদার (আর্য)


       এসো হে মহা'ভারতের-মহা বীর।
          ভূধর কাঁপিয়ে, ত্বড়িৎ হয়ে,
       অন্তরীক্ষে দূরীভূত করো তিমির।।


        তোমার বিদ্রোহের'র বহ্নি শিখায়
               বিধ্বংস হবে ওরা,
          যুদ্ধে নেমেছি আজ আমরা-
            "জাগো হে বীর জাগো"
       তমিস্রায় তন্দ্রিত তোমার স্বদেশে,
           কবি ঘুরছে বিধবার বেশে,
   বুকে বিদ্ধ বন্দুকের গুলি’ তুমি দাও সঙ্গ।
      হে বীর! "তুমি তো আজ অচেতন,
              নেচে উঠেছে কেতন"-
                 এই সাইক্লোনে
          অন্ত সম ঘুমন্ত তুমি অলসে,
           অরণ্যের অন্তস্তল আবাসে,
  আমার রক্তে ভেসে’ যাও-জয়ের সন্ধানে।
    আজ আমি মায়ের চরণে সঁপেছি প্রাণ,
             ইতিহাস বলে বলবান -
       হয়'তো তোমার নিকট অতি ক্ষুদ্র
কিন্তু আমার অদম্য ওই দিনের নির্ভীকতা,
         আজ সকল'কে করবে একতা,
              করবে যুদ্ধ হয়ে রুদ্র-
                করবে ছিন্ন শির!
      ন্যায়ের ঈশ্বর তুমি’ তুমি আজ স্থির...  
       এসো  হে মহা'ভারতের মহাবীর।


জানিনা  আজ কি জেগেছে তোমার ওই প্রাণে
ভয়ে ভিতু হয়ে লুকিয়ে থেকো না এই ক্ষণে-
      সময় এসেছে নিতে হবে প্রতিশোধ
         দিতে দণ্ড’ খণ্ড-খণ্ড করো দেহ
                 ওই দানব দের,
    চুষেছে রক্ত করেছে ক্ষতবিক্ষত মায়ের,
        মরণের কোলে ঢোলে না ক্রোধ।
  তাই হে বীর! পথে নামো পথের খোঁজে,
      মেঘলা দিনে’ গগনে মাদল বাজে -
             বর্ষা সাজে আঁখি'র কনে
    কাননে ফোটে ফুল,হাত বাড়ায় শিমুল,
ওই রণক্ষেত্র রঞ্জিত হক তোমার রক্ত দানে।
  ওখানে আজও জীবিত আছে কত যোদ্ধা
    যারা দেশকে ভালোবেসে  করে শ্রদ্ধা -
            করছে নিজেকে বলিদান
     তাদের স্মৃতি সৌধে নত হয় এই কবি,
        হৃদয়ে এঁকেছি যুদ্ধের না-না ছবি,
                  তুমি'তো মহান -
   মানব-ধর্মী কল্প-তরু দাও শান্তি'র নীর!
      নীরক্তের রক্তদানে ফুল ফুটবে বনে
      বোমা-বন্দুকে ঝরাও রক্তিম আবির...
        এসো হে মহা'ভারতের মহাবীর।


উজ্জ্বল সরদার (আর্য)
রচনাকাল ১১ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সাল
সকাল ৮টা
নিজ নিকেতন
দাকোপ খুলনা, বাংলাদেশ।