নারী হয়ে নারীত্বের ভিত নাড়াতে চাও হে নারী
পিতা, পুত্র, সহধর্মী হয়ে উপকারে আসলাম কি তোমারি?
বীরদর্পে রাজ্য জয় করে এসেছি যবে ফিরি
আপন ঘরের নিভৃত কোনেতে মুহূর্তে গেলাম হারি।
জগত জয়ে, রাজ্য ক্ষয়ে দিগম্বরী আমি বীর
জয় করে তোমার মন বাঁধা হলনা সুখের নীড়।
আমি পুরুষ শৌর্যবান, বীর্যে বড় শক্তি
পরাজিত আমি, নির্যাতিত তোমার দিতে পারিনি মুক্তি।
আজ তুমি নারী হয়ে নারীত্বকে যাও ঘৃণী
অত্যাচারী আমি, স্বৈরাচারী বড় ভাবিনী অর্ধাঙ্গিনী।
যে রাহু আজ দেহেতে বয় রাখিনি তাঁর সম্মান
পিতৃপুরুষ হতে এসেছে ঠিক, তুমিও দিয়েছ নির্দিষ্ট পরিমাণ।
মাতা, কন্যা, সহধর্মিণী রুপে সবযুগে আছ রয়ে
আমারই শোষণে, অযাতিত পেষণে দিনে দিনে গেছ ক্ষয়ে।
আজ পৌরষত্ব চায় নারীত্বের কিছু মায়া
নারী তুমি নারীত্ব ভুলে আত্মহীন এক শূন্য কায়া।
একাকীত্ব বড় যাতনা দেয় বিষময় করে মন
হে নারী আমি জেনে গেছি তুমিও মানুষেরই একজন।
আত্ম-অহংকারে ভীষম হুংকারে যত করেছি অবহেলা
তুমি আমায় ক্ষমা করো, প্রিয়া তুমি সারাবেলা।
আজ আমি যদি হই শমশের বিশ্বজয়ী বীর
তুমি হইও ঢাল আমার বিশ্ব ধরিত্রীর।



সস্তাপুর, নারায়ণগঞ্জ।
১৭ ফাল্গুন, ১৪২০ বাংলা। ০১মার্চ, ২০১৪ ঈসায়ী।