কুয়াশার কম্বলে ঢাকা পড়া, চাঁদের আলোয়
নিজের ছায়া দেখেও চমকে উঠতে হয়
এই মাঝ রাতে
দু’বছরের ছেলেটি তাঁর কাথার নিচে
মায়ের বুকের ওমে শুয়ে থাকে,
স্বামী থাকে শহরে।
ছেলের গায়ের কাথাটি মুরে দিয়ে
জল বিয়োগের তাড়নায় উঠে আসে।
ঘাতক রাতের অন্ধকারে বসে থাকা
যৌন পিপাসী হায়নারদল
শেফালির আঁচল টেনে ধরে নিয়ে যায় ধান ক্ষেতে...
সেখানেই শেফালির নিথর দেহ পরেছিল।
যৌন পিপাসীরা দল বেধে
পিশাচের নখের আঁচড়ে শেফালির
শরীর ছিড়ে খায়।
সংবাদ পেয়ে গ্রাম পুলিশ আসে-
শেফালির নিথর দেহটা চাটাই এর খোলে ভরে
তুলে নিয়ে যায় লাশ কাটা ঘরে।
গায়ের সকলে বলে আহা! অমন চাঁদ মাখা মুখ
সোনা বৌ টিকে একা রেখে গেলে তো এমনটাই হবে।
শেফালি শুয়ে থাকে বস্ত্র হীন লাশ কাটা ঘরে।
চান্ডাল শেফালির বস্ত্রহীন রূপালী জ্যোস্নার মতো
দেহটি দেখে কি চমকে ওঠে?
তাতে শেফালির এখন আর কি বা যায় আসে!