তুমি ঘুমের কপাট খুলে এসো-শীতের উঠোনে
দেখো ঘাস ভিজেছে আজ বিন্দু বিন্দু কুয়াশায়
প্রতি কণায় ভাসে সপ্তবর্ণা ইন্দ্রধনু।

তুমি এসো-শুভ্র বরফগলা তটিনীর তীরে
আজ না'হয় জিম্মি থাকুক সূর্য মেঘাচ্ছন্নতার আড়ালে।
প্রবল শীতে রক্ত শিমুলের অনির্বাণ ফানুস উড়িয়ে
সিক্ত-শুদ্ধ করবো বিষাদের পাতার কারুকাজ।

মনের চড়ুই-লজ্জাবতীর ঘোমটা উঠাক মনের হরষে
অমিত্রাক্ষরে ফড়িং উড়ে ফিরুক এক আনন্দে
রৌদ্র-নীল ছায়ায় মাছরাঙা ব্যস্ত থাক নিবিড় শিকারে,
বাবুই তৃণ মিত্রতায় মগ্ন থাকুক ভবিষতের জাল বুনে
কাঠ বেড়ালি নেচে বেড়াক উল্লাসে মনের বারান্দায়।

আমি না'হয় একাকিত্বের বিলাসিতায় থাকি-সুখে
চরম তুষারপাত ঝরুক অতিবাহিত সময়ের অলিগলিতে
নিদারুণ উষ্ণ ছোঁয়ায় জড়িয়ে রেখো তুমি আমাকে।
আমি ধন্য হতে চাই তোমাকে বুকে ধারণ করে,
তোমার আদরে, তোমার সোহাগে জীবন হোক পরিপূর্ণ।
-----------------------------------
   রচনা'কাল: নীরব সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিট
১৭ এ জানুয়ারি বুধবার ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
         ৩-এ- মাঘ  ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
৫ - এ রাজাব উল মুরাজ্জাব ১৪৪৫ হিজরী
  গ্রিসের রাজধানী এথেন্স থেকে প্রকাশিত
          সংশোধিত ও পরিমার্জিত  
         © Copyright সংরক্ষিত ®