এখন অনেক গভীর রাত, বেশ নির্জন নিস্তব্ধ।
হয়তো কোন শাপলা বনে নৃত্যে মগ্ন হয়েছে চাঁদ,
মনের সকল অবসরের ক্লান্তি ঝেড়ে-
নীলিমার বুকে জেগে আছে এখনো আধো ক্লান্ত সপ্তসী।
তিমির ঘিরে বাসা বেঁধেছে ডানা মেলা মেঘের শিশুরা,
ভোরের পাখিদের ঘুম এখনো ভাঙেনি।
আমি জেগে আছি জীবনের ধূসর পাণ্ডুলিপি হাতে,
জীবনের সব শব্দগুলো কেমন যেন এলোমেলো হয়ে আজ।    
ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কোরা কাগজের বুকে,  
শব্দের আল্পনায় খুঁজি নিজেকে নির্বাক নয়নে।
প্রতিদিন কত ইস্তাহার জমা হয় মনের খাতার পাতায়,
জীবন পাতার অনেক খবর পরে থাকে সবার অগোচরে।
ঝরা পাতার নিঙ্কন ধ্বনি কেউ বুঝে না জীবন ঝামেলার অন্তরালে-
যাযাবর সময়ের করাঘাতে অনেক কিছুই হয়েছে বিলীন।
মরুভূমির বুকে অস্তিত্বহীন বালুর রেখার মতোই পড়ে আছে
শব্দের মায়া জড়ানো কিছু অনুভূতি কিছু প্রত্যাশা।  
ভাঙা কাঁচের ফ্রেমের অন্তরালে রঙচটা এক অবয়ব,
চন্দ্রশেখর বিকশিত রূপ ভেসে গেছে হেঁয়ালির স্রোতে।
যেমন কক্ষণিকের মুসাফির এলে মরুময় প্রান্ত পাড়ি দিয়ে,
তাঁদের পায়ের পাতায় লেগে থাকে অতীতের নিগুড় স্মৃতি!।  
____________________
রচনা'কাল: শীতল  সন্ধ্যা  ১.১৫ মিনিট
২৬-এ নভেম্বর রবিবার ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
       ১১- এ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
  ১২ - এ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৫ হিজরী
গ্রিসের রাজধানী এথেন্স থেকে প্রকাশিত
           সংশোধিত ও পরিমার্জিত  
          © Copyright সংরক্ষিত ®