নদী, ভাবিনি কখনো এ দশা হবে তোর!
ঠগরা কাটছে খাল তোর গতিপথ বদলে
দিতে, সেও বুঝলি না।
ওদের এ কাজ অপ্রত্যাশিত নয় মোটেই
কেননা ওরা কুকর্মের পথ পরিহার করে
স্বাভাবিক জীবনে ফিরলো না। সেও তুই
বুঝলি না।
ভাবলি কি জীবনবোধ বদলেছে কুমীরের
কান্না দেখে?  যদি ভাবিস সেটি তবে সে
তোর মস্ত ভুল। কুমীর কি ওর জীবনবোধ
বদলাতে পারে একচুল?
আগেও পা বাড়িয়েছিস ওদের প্ররোচনায়।
চলতে গিয়ে মস্ত বড় পাথরে ঠোক্কর খেয়ে
করেছিস কান্না, তবু ঠগদের চিনলি না।
নানা ভণিতা করলো অসৎ উদ্দেশ্যে। তোর
সাথে সংযোগকারী খাল কেটে প্ররোচনার
ফাঁদে ফেলে চেষ্টা করলো তোকে গতিপথ
বদলে খাল-পথে চালিত করতে।
হায় রে, ভাবলি না কত কী ঘটতে পারে?
পা বাড়ালি সে প্ররোচনায়। সচেতন হলি না।
আবারও করলি একই ভুল!
সে পথে যাবি সাত পাঁচ না-ভেবে? যেতে
পারিস। কেউ পথ অবরোধ করবে  না।
তবে শুধু সময়ের অপেক্ষা, হয়তো দেখতে
হতে পারে অদূরে সুবিশাল প্রস্তরখণ্ড রয়েছে
দাঁড়িয়ে। না-ভেবে চললে এবারও পাথরে
ঠোক্কর খেতে হতে পারে।