আমার স্বপ্নের গায়ে আবির মাখিয়ে শরৎ এসেছে সেজে-
ওরসা মেঘে নীলকন্ঠ উজাড় করেছে রং,
ঘাসের কুঁড়িতে কুয়াশা এনেছে উচ্ছ্বলতার ঢেউ,
ধূলোর শহরের ক্লান্ত কায়ায় জীবন ছেয়েছে,
হিমেল হাওয়া পরিয়ে দিয়েছে খুশির আস্তরণ।
ফিকে সন্ধ্যায় জানলার কাচে শরৎ লিখেছে
কচি হাতে এক নাম...
নিমেষের ঝড়ে তেতো কফিতে চিনির বিস্ফোরণ!
অচেনা মোরক তখনো রেখেছে ঢেকে-
আমি কতনা খুঁজেছি তোমায়!
বেধড়ক ঘুম ঘাম হয়ে ঝরে গেছে-
ভাঙা ল্যাম্প পোস্ট জানলায় ঘেঁষে মুখিয়ে দেখেছে
এক ফতুরের বেনজির মাঝরাত!
অবচেতনার সাজঘরে তুমি এলে,
কস্তাপেরেতে চিরচেনা কাশফুল!
আধো-উন্মাদে উষ্ণতা ছুঁড়ে দিলে,
শিউলির বুকে গোড়ালি ছুঁইয়ে রূপে এনে দিলে মুক্তো,
বোধনের সুরে আলাপ জমালে বাঁধনের।
ঠিক তখনই!তখনই তোমায় কাড়বে বলে
সকাল পাঠাল সময়ের চিরকুট।
যদি আবার কখনও পথ ভোলা কোনও ভোরে
শিউলি কুড়িয়ে কার্নিস ছুঁয়ে যাও-
যদি অবচেতনায় চেতনা জড়িয়ে থাকে,
যদি সকাল তোমায় আড়চোখে ফিরে দেখে,
তুমি মুখ ফিরিয়ে নিও!
শুধু পদ্মপাতায় লিখে যেও তোমার ঠিকানা।
ফুরসতে আমি খুঁজে নেবো ঠিক যাপনের সুখটুকু।