প্রিয়তমা,
ভাবো,করোনার দুর্গতির থেকে যদিও অদূর
ভবিষ্যতে মুক্তি জোটে,আগামী দিনে হয়তো
কোটি কোটি মানুষ ভুগবেই সেই অযাচিত
ত্বকের ব্যাধিতে।
চুপিসারে দেহের ত্বকে মারণ-ব্যাধি ক্যানসার
হানা দিলে সেই সমস্যা মেটাতে এখন থেকে
আগাম ভাবতে হবে।
ছাতা ও মাস্ক দিয়ে তেজস্ক্রিয় রশ্মিকে কি
ঠেকানো যাবে?উত্তর হয়তো,না।
তখন হয়তো আবারও লক ডাউন আসবে
ফিরে।পৃথিবীতে হবে তার স্থায়ী ঠিকানা।
আসবে দুর্দিন।দূরে বা নিকটে কোথাও নেই
দুর্গতি নাশিনী,যে এখন ধরণীর পাশে থেকে
রবি-রশ্মিকে প্রতিরোধ করে তাকে সুরক্ষা  
দিতে পারে।
জেনে রাখো,মানুষের কৃতকর্মের ফলে নিয়ত
বাড়ছে এই বিশ্বের গড় উষ্ণতা।এর সত্যতা
উপলব্ধ করছো বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে।
প্রিয়তমা,সমগ্র বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রভাব
এখানে থামবে না।যখন ঘুড়ি ওড়ে আকাশে,
তার সাথে যুক্ত সুদীর্ঘ সুতোও ছোটে তারই
পিছে পিছে।  
রাজসাক্ষী,যমরাজকে বোঝাতে সমর্থ হলো
পর্বত শৃঙ্গের এবং মেরুপ্রদেশের বরফ সেই
কারণে গলতে বাধ্য হচ্ছে।এই ধারা বজায়
থাকলে বিশ্ব জুড়ে কোথাও নাকি প্রাকৃতিক  
বরফের হদিস মিলবে না।
প্রিয়তমা,এভাবে চললে নির্দ্বিধায় বলা যায়
নদ-নদী ও হিমবাহ বিলুপ্ত হবে।সে-সময়
প্রাকৃতিক সঞ্চিত জলের হদিস পেতে নেটে
সার্চ করতে হবে।
রাজসাক্ষী,যমরাজকে জানালো এখন উষ্ণতা
বৃদ্ধিতে মেরুপ্রদেশের কী শোচনীয় অবস্থা।  
সেখানে বরফের অভাব।পেঙ্গুইনদের এখনি
বেহাল দশা।
এখানেই শেষ নয়,পাহাড় পর্বত থেকে যদি
হিমবাহ ও নদী পথে বরফ-গলা জল নেমে
আসে,তবে নিশ্চিত বাড়বেই সমুদ্রে জলের
বহর।রাজসাক্ষী বললো এভাবে চললে খুব
শীঘ্র তলিয়ে যাবে নদী ও সাগরের ধারে
গড়ে ওঠা এই বিশ্বের অনেক নগর-নগরী
এবং সমুদ্র বন্দর।
প্রিয়তমা,তথ্য-ভাণ্ডার থেকে তালিকা তুলে
ধরে দেখালো,পৃথিবীর কোন কোন নগর
নগরী গুনছে মৃত্যুর প্রহর।সুদীর্ঘ তালিকা।
যদি জানতে চাও তার সব খুঁটিনাটি,তবে
নেটে সার্চ করে দেখে নিও।
আজ এটুকুই থাকুক।সবাই ভালো থেকো।
পরে আবার কথা হবে।