ঈমান মানুষের! মানুষ ঈমানদার!
ধর্ম ইসলাম! ধর্ম গীতা! ধর্ম বাইবেল!
ধর্ম অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের! ধর্ম সনাতন!
ইমামের ইমামতি! সাধুর সাধু গিরি!
সন্যাসির ধর্মাবেশ! পিতা-মাতা সর্বশেষ।
কিসের মধ্যে কি পদ্ম ফুলেতে ঘি!!
ছেলেটি অপরাধী; মেয়েটি করে অপরাধ;
এক সময়ে তারাই হল বিবাহ-বন্ধনে..
স্বামী-স্ত্রী হয়ে এক সময়ে পিতা-মাতা!
সন্তান-সন্ততি'র জনক-জননী।।


ঐ বদমাহিশ মনেরই পিতা-মাতা
হইলো যে সেই সন্তানের গার্ডিয়ান ও মুরব্বি!
পিতা-মাতার অপকর্মে মুখ দেখাতে সংশয় হয়
যে সন্তানের যেখানে! সেই পরিবার ও সমাজ
হতে ঘৃণাতে বের হইয়া প্রকৃত মানুষ সত্য-নিষ্ঠায়..
জীবন গড়ার মানুষ হইবার নেশাতে শত কষ্ট আর
ত্যাগের বিনিময়ে তরাই উৎরাইয়া কোন মতে দেয়..
বিধাতা কূল কিনারা! সেই কূল কিনারা শক্ত না..
হতেই, খেয়াল নিতে খোঁজ-খবরে যায় যদি কোন
দিন তাদের কাছে; দেখতে পাবে হয়নি তারা মানুষ!
রয়েছে তারা আগেরই মতন হয়েছে আরো অধপতন।


মানতে চায় না কোনই ভাল, জ্ঞানের, যুক্তির কথা
পুরানো ধ্যান ধারণাতেই রহিতেই চায় ধর্ম নামের
অন্ধত্বের তরে! নিতে চায় না প্রকৃত পক্ষে ধর্ম কি বলে?
ধর্ম হইল পবিত্র, সুন্দর, স্বচ্ছ জ্ঞান উপলব্দি, নিয়ম-কানুন,
সদা-সত্যের প্রতি অপূর্ব ও চমৎকার দীক্ষা ও আদর্শ।
হয় না যার কোনই তুলনা! ধর্ম পালনে মানুষকে সরাসরি
কোন উপকার করতে না পারলেও জীবনে মানুষের করে না
কোনই ক্ষতি; হবে না কোন দিনও।।


অকৃতজ্ঞ মিথ্যা দ্বন্দের ছন্ন-ছাড়া পিতা-মাতার
সন্তান হোক না যতই আদর্শ ও পরহেজগার
যতই হউক ঈমানদার, রয় না তাদের মনে! শুধুই
দাও না! দাও তাদের চাওয়াতেই বেজাই খুঁশি' তারা যে!
সঠিক কথা বলাতেই ভাল হওয়া যায় না তাদের হতেই।
কিসের মধ্যে পদ্ম ফুঁটায়ে রাখেন বিধাতা!
হতে হয় নাস্তানাবুদ পাওয়া যায় না কষ্টের জীবনের
মূল মর্যাদা! ছলা-কলায় তারাই ভাল; দেখতে লাগে..
বেজায় ভাল, কয়'দিন পর দেখিতে পাই সম্পর্কতে টানা-পড়ন।
শুধুই তারা করে-বেড়ায় পরচর্চা, পরনিন্দা, পরলোভীতে সমালোচনা;
ন্যায় অন্যায় বোঝানোই যায় না। বললেই বলে অপর পিঠে দিলাম বুঝি বকা।।
তাই তো বলি পদ্ম চেনে ক'জনা।
মর্যাদা বোঝে ও জানে কি তারা! কে দেয় কাকে!
সত্য জানা ও বলা হতে মুখ ফিরায়ে রাখে যে তারা।
===×××===
===×××===
বাণী : নিজ অন্ত:জামী! নিজ ছাড়া আর কেহই হতে পারে না। একজন প্রকৃত সংগ্রামীর জীবনে সব সময়ই অপবাদ আসতে পারে; কারণ সে সংগ্রাম করে যে সফলতা অর্জন করেছেন মানে, অপদার্থ আপনজনদের জয়-জয়কার হয়! তারা মনে করে থাকে, তার সকল অর্জনই তাদের উপকারের জন্যে। যে উপকারী ব্যক্তি যত সময় উপকার পায়, তত সময় খুব ভাল বলে থাকে! আর যখনই কম পেল বা পেতে দেরি হল! তখনই হোক সে পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আপন জন বলে বসে করে নাই কোন কিছুই।। ঐ সংগ্রামী উপকারী ব্যক্তির পকেটে অর্থ আছে কি? সামর্থ ছিল কি না? দেখার সময় থাকে না কারও! তাই তো বলি হায়রে মানুষ আপন জন আমরা কিসের মধ্যে ফুঁটাতেই চাই অজানারই পদ্মলোচন।।