অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া এটা কোনো সু নাগরিকের বৈশিষ্ট্য নয়।
কারো মেধাসত্ত্ব চুরি করে কোনো নিজেকে উপরে যেতে পারেন না, কিছু সৃষ্টি করতে চাইলে আগে সৃষ্টিকে জানুন অনেক লেখা পড়ুন তখন আপনিও দেখবেন কিছু না কিছু সৃষ্টি করে ফেলেছেন কারো লেখা চুরি করে সে নিজেকে উপস্থাপন করতেই ভয় পাবে।
হুবাহু নকল করে শব্দ করে পাল্টিয়ে,
সেই বিষয়ে নিজের আয়ত্তে করে
এটাও কোন শোভনীয় কাজ নয়।


কবি আনিসুল হক বলেন
কবি যে তার ভিতরে কবিতা খেলা করে
শতাব্দী খেলা করে কবিতা হয়ে।


এই সম্পর্কে লিখেছেন তার কবিতায়
কবি আবু হাসান শাহরিয়ার বলেছেন


বইচোরা কি কাব্য রসিক ছন্দ জানে
বই অনেকের বাতিক ঘরে সাজিয়ে রাখো
নাকি তেমন হদ্দবিশ
চোরের ঘরে ধুলোয় মলিন বুক শেলফে
কেমন আছ


কারো লেখা চুরি করে আপনি  বই ছাপিয়েছেন
ঐ গান, বা কবিতা আপনার জানা নেই কোন ছন্দে লেখা, কোন অভিজ্ঞতা থেকে লেখা আপনি এর উত্তর খুঁজতে খুঁজতে ততক্ষণে আপনি কপি রাইট লঙ্ঘন
চলে যাবেন।


আপনার কবিতা চুরি হয়েছে আপনি অভিযোগ দাখিল করতে পারবেন বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসে
গিয়ে, কিভাবে করতে হয়
বাংলাদেশের আইনে ছবি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর ৬০ বছর পর্যন্ত কপিরাইট  কার্যকর থাকে। তবে সম্প্রচার সংক্রান্ত ক্ষেত্রে প্রাচারের পর ২৫ বছর পর্যন্ত কপিরাইট কার্যকর থাকে।
কারো মেধাসত্ব সৃষ্টি চুরি করা কপিরাইট লঙ্ঘন হয়ে থাকে বিশ্বের সাথে বাংলাদেশ ২০০০ সালে কপিরাইট আইন পাশ করে ২০০৫ সালে এটার পরিবর্তন আনে।


(বই, শিল্পকর্ম,কম্পিউটার সফটওয়্যার, কবিতা, গান, চলচ্চিত্র ইত্যাদির কপিরাইট নিবন্ধন করতে হলে যেতে হবে আপনার আগারগাঁওয়ের নিবন্ধীকরণ অফিসে। বিনামূল্যে কপিরাইট আবেদনের ফরম পাওয়া যায় । সাথে 600 টাকার ট্রেজারী চালানও জমা দিতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের অনুমোদিত শাখায় ট্রেজারী চালান জমা দেয়া যায়। এক্ষেত্রে জমা দেওয়ার কোড নম্বর হলো
13436 0000 1841 সংগৃহীত)


কপিরাইট অফিসের যোগাযোগ
ই-মেইল : [email protected]
ওয়েবসাইট :www.copyrightoffice.gov.bd
Facebook ID : copyrightoffice