আমার ধারণায় কবিরা পাগল হয়,
অথবা কবিতা কারো পাগলামি।
কবিরা MPD তে ভোগে,
লেখার তরে সে প্রেমিক হতে পরে,
কখনো বা খুন করে,
কখনো শব্দের মাতলামি
যদিও স্বভাবে অন্তর্যামী।


কিন্তু ধারণা বদলে যাচ্ছে
যখন কবি কবিতার থেকে বড়ো হচ্ছে
যখন মানুষ মানবিকতাকে হারাচ্ছে
প্রেমের লেখায় প্রেমিক প্রেমিকা গুরুত্ব পাচ্ছে
অথবা প্যাক খাচ্ছে।


তাহলে কবিরা কি সুস্থ্য হয়ে উঠলো,
আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতো,
SSRI,SNRI, ECT প্রয়োগে,
নাকি bangla-Kobita ভেঙেছে দুই ভাগে,
কন্ট্রোল গ্রুপ আর টেষ্ট গ্রুপে,
যাদের গতিবিধির মাপজোগে
ডাক্তার বদ্যি সমাজ সংস্কারক phd করছে,
কবিতাকে বিবস্ত্র করে পতিতালয়ে ফেলে,
যাতে কবিরা নির্দিষ্ট মাপকাঠিতে ওঠেবসে কথা বলে।


কেও নিজের দূঃখ বলবে
নাকি প্রেম ঝরাবে
নাকি ললিত ফলিত স্তুতি গান গাইবে
সেটা তার ব্যাপার হোক না,
উত্তম চলুক অধমের সাথে
শুধু মধ্যম কে ব্লক করে দিন।