সত্য শুধুমাত্র একটি শব্দই নয়, বরং সত্য হলো এমন এক ধরনের অনুভূতি,' যার মাধ্যমে শান্তির পথ খুঁজে পাওয়া যায় ও আলোর প্রকাশ ঘটে'। অজানা সবকিছুকে উদঘাটন করার কাজ হলো সত্যের।যখন কোন লেখক তার লেখার মাধ্যমে সমাজকে জাগ্ৰত করে তোলার চেষ্টা করে তখন তাকে সমাজের দর্পণ বলা হয়। আর তাই একজন লেখকের কন্ঠস্বরের ধ্বনি হওয়া উচিত সত্যের বাণী।


ন্যায়,নীতি ও নৈতিকতা হলো একজন লেখকের বাধ্যতামূলক গুণাবলি।উক্ত গুণাবলি বিদ্যমান থাকলেই লেখক সত্যের পথে নির্ভয়ে এগিয়ে যেতে পারবে। লেখক সবসময়ই তাঁর লেখার মাধ্যমে পাঠকের কাছে কোনো বিষয় সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করে।যা পাঠকের মনে প্রায়ই কোনো না কোনোভাবে ছাঁপ ছেড়ে যায়।আর যদি এ তথ্য
সঠিক না হয় তাহলে, পাঠকদের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে যায়। এভাবে নানান ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে।তাই নির্ভুল ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং প্রকাশই একজন লেখকের দায়িত্ব। যেকোনো পরিস্থিতিতে মনে দেশপ্রেম জাগ্রত রাখতে হবে এবং সত্য প্রকাশের ক্ষেত্রে আপোষহীন মনোভাব পোষণ করতে হবে। লেখক বলতে শুধুমাত্র পাঠ্যবই এর লেখকদের কথা বলছি না,তা অবশ্যই অধিকাংশ পাঠকই বুঝতে পেরেছেন। সংবাদপত্রের লেখকদের প্রায়ই সত্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। যেকোনো বিষয় সম্পর্কে সত্য প্রকাশের জন্য শুধু লেখাই জরুরি নয় বরং থাকতে হয় সাহসও।
যে সাহস একজন লেখককে শক্তি দেয় সত্য প্রকাশের। দেশের জনগণকে বিভ্রান্তি থেকে মুক্তি দিয়ে সত্যের পথে নিয়ে যাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হয় একজন লেখককে।যদি লেখক নিজ দায়িত্বে অটল থাকে, তাহলেই দেশের গণমাধ্যমগুলো বাস্তবে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারবে।


এভাবেই একজন লেখকের সত্যের বাণী আমাদের দেশের উন্নয়নে বিরাট বড় অবদান রাখতে পারে। আমরা অনেকেই হয়তো এ বিষয়কে ততটা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে চাই না,কিন্তু দেশের জন্য একজন লেখকের অবদান দেশকে গড়ে তুলতে পারবে
একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্র হিসেবে।