আমার বাড়ি আসতে গিয়ে তুমি
সাঁকো ভেঙে পড়েছিলে নর্দমার খালে,
দেখে আমার, সে কি আনন্দ!
হাতে তালি মেরেছিলাম কয়েক তালে।


তাই রেগে গিয়েছিলে তুমি খুব
দাঁত কিটমিট হলদে দাঁত বের করে,
বললে মিষ্টি সুরে 'শালা, ধর আমারে'
কি মিষ্টি, মেয়েদের শালা হয় কি করে?


তবু তোমার হাতটি তখন ধরেছি
জানত, লজ্জা আমার কম কিনা,
তাইতো বোঁচা মেয়ের প্রেমে পড়েছি
পারিনা থাকতে ঐ ট্যারা নজর বিনা।


আহ! কি কঠিন খসখসে হাত তোমার
যেন শিরিষ কাগজের চরম ছোঁয়া,
আহা! কি সমতল নাক তোমার
যেন চ্যাবা শুটকি ভর্তার মোয়া।


বাহ! তোমার গায়ে ওগুলো কি?
সবুজ জামার উপর হলুদ রঙের ঘি,
দেখে তুমি ওয়াক করে, দিলে পেট খালি করে।
এতো সুন্দর ঘিতে ঘেন্নার আছে কি?


আমি তখন হাতটি দিয়ে ধীরে
দিলাম দ্রুত সব পরিষ্কার করে,
তোমার খুশীতে সব করতে পারি
প্রমাণ দিলাম এই ঘৃণিত উচ্ছিষ্ট ধরে।


আমি নাকি বোকা কিসিম, ওরা সবাই বলে
তুমিও নাকি সেজন্যেই পড়েছ আমার তালে,
আচ্ছা, নাকটি তোমার একটু বোঁচা
চোখ দুটো একটু ট্যারাই বা না’হলে
ভাল সত্যি বেসেছি তোমায় আমি
যেও না ফেলে ওদের মত বোকা বলে।
তোমার ঐ বোঁচা নাকে ‘এভারেস্ট’ দেখেছি আমি
সে পর্বতে আমিই চড়ব, এই আশা শুধু দিলে (মনে)।
আর সারা জীবন এমনি মিষ্টি ডেকো ‘শালা’।
সেই ‘শালা’ হয়েই তোমার গলেতে পরাতে চাই মালা...।



সস্তাপুর, নারায়ণগঞ্জ।
১২ পৌষ, ১৪২০ বাংলা। ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৩ ঈসায়ী।